ইবিতে হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

ইবি প্রতিনিধি
২১ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ১২:৩৩ আপডেট: ১২:৩৫

ইবিতে হল বন্ধ রেখে পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

করোনা ভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ই মার্চ থেকে বন্ধ থাকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।  এদিকে সেশনজটের শঙ্কায় আটকে থাকা পরীক্ষাগুলো নেওয়ার দাবিতে গত ৯ ডিসেম্বর মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।  শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে গত ২২ ডিসেম্বর ১১৯তম একাডেমিক কমিটির সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ রেখে জানুয়ারি মাসে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিভাগের আটকে থাকা চূড়ান্ত পরীক্ষা চলছে।  একইসঙ্গে চলছে বিভিন্ন বিভাগের রিটেক ও মানোন্নয়ন পরীক্ষা।  তবে আবাসিক হল বন্ধ থাকায় পরীক্ষা দিতে এসে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। থাকা-খাওয়ার সমস্যার পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন ছাত্রীরা। আবাসন সুবিধা নিশ্চিত না করেই চূড়ান্ত পরীক্ষার সিদ্ধান্তে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। 

স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের প্রায় সকল শিক্ষার্থী হলে থাকে।  এমন পরিস্থিতিতে হল না খুলাকে অমানবিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে শিক্ষার্থীরা।  কয়েক মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ শহর অথবা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শৈলকূপা মেস ভাড়া নিয়ে থাকতে হচ্ছে এসব হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের।

জানা গেছে, ক্যাম্পাসের পাশ্ববর্তী এলাকায় রয়েছে মেসের স্বল্পতা।  মেসের তুলনায় ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি।  যেগুলো মেস রয়েছে নেই স্বাস্থ্য বিধির বালাই।  নিরাপত্তার অভাব তো আছেই।  ছাত্রীদের জন্য দুর্ভোগে বেশি।  মেস মালিক পক্ষ সুযোগ বুঝে বাড়িয়েছে ভাড়া।  ভাড়া বহন করা অনেকেরই সক্ষমতার বাইরে।  এখন পরীক্ষার জন্য অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে মেসে বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।  শিক্ষার্থীদের অভিযোগ যেখানে পরীক্ষা ফি দেওয়ার টাকা নেই, সেখানে বাড়তি মেস ভাড়ার টাকা পাওয়াটা প্রায় অসম্ভব। 

ছাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ক্যাম্পাস খোলা অবস্থায় তাদের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই হলে অবস্থান করতো।  এদের মধ্যে অনেকেই টিউশনি করে মাসিক খরচ চালাতো।  বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে টিউশনিহীন সময় কাটতে হচ্ছে তাদেরকে।  এ সময় হল বন্ধ থাকায় মেসের অতিরিক্ত ভাড়া ও আনুষাঙ্গিক খরচ চালানো যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে উপাচার্য শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ফাইনাল পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারে গত ১৩ ডিসেম্বর ইউজিসির সাথে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্যদের যে বৈঠক হয়েছিলো, সেখানে ইউজিসি থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছিলো পরীক্ষা নিলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হল খুলতে পারবে না।  আর এমনিতেও হল খুলে দিলে পরীক্ষার্থী ছাড়াও অনেকেই থাকতে চাইবে।  এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদেরকেই ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে আবাসন সংকট নিরসন করতে হবে।’ 

ব্রেকিংনিউজ/এসপি

bnbd-ads
breakingnews.com.bd
প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি