শিরোনাম:

আষাঢ়ে চৈত্রের খরায় বিবর্ণ রাজশাহী

সরকার দুলাল মাহবুব, রাজশাহী
১৯ জুন ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 9:19
আষাঢ়ে চৈত্রের খরায় বিবর্ণ রাজশাহী

সপ্তাহজুড়েই তীব্র খরতাপে পুড়ছে রাজশাহী অঞ্চল। এরই মধ্যে রাজশাহীতে তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রির ঘরে। শুক্রবার ছিলো বাদল দিনের প্রথম কদম ফোটার দিন। অর্থাৎ আষাঢ়ের প্রথম দিন।
 
কিন্তু আবহাওয়া রয়েছে উল্টো পথে। রাজশাহীতে শুক্রবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস! যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। যার রেশ এখনও কাটেনি।
 
প্রথম আষাঢ়ে শেষ রোজায় মানুষের প্রাণ খাঁচা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। দুঃসহ গরমে হাঁস-ফাঁস করছে মানুষ ও পশু-পাখি। প্রকৃতি যেন ছাড়ছে আগুনের ফুলকি। সুর্যের অগ্নি ঝরায় নিসর্গ প্রকৃতি তামাটে বর্ণ ধারণ করছে।
 
শহরের দক্ষিণে থাকা পদ্মার ধূ-ধূ বালুচর থেকে বয়ে আসা গরম বাতাস শরীরে বিধছে আগুনের হলকার মতো। এর পরে ঈদের দিন থেকে শুরু করে মঙ্গলবার পর্যন্ত তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও কমেনি গরমের মাত্রা। যেন সবকিছু তেতে উঠেছে। প্রখর কিরণে সকাল থেকে খালি মাথায় বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে পড়ে। লু হাওয়ায় হাঁপিয়ে উঠেছে পশু-পাখিরাও।
 
রাজশাহী আবহাওয়া অধিদফতরের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক দেবল কুমার মৈত্র বলেন, রাজশাহী অঞ্চলের উপর দিয়ে গত কয়েক দিন থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে তা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভারী বৃষ্টি না হলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই।
 
তিনি বলেন, দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৭ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছিল। কিন্তু শুক্রবার জুন বেলা ৩টায় রাজশাহীতে ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি বছরের সর্বোচ্চ। সর্বশেষ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
 
এর আগে ২০০৫ সালের ১২ জুন রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এরপর ২০১৪ সালের ২১ মে উঠেছিল ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১৬ সালের ২৯ এপ্রিল উঠেছিল ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে স্মারণকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা বাড়লেও এখন পর্যন্ত ওই রেকর্ড ভাঙেনি।
 
ব্রেকিংনিউজ/আরএ
 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2