শিরোনাম:

হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে ১০ অজানা তথ্য

ধর্ম ডেস্ক
২২ জুন ২০১৮, শুক্রবার
প্রকাশিত: 10:02 আপডেট: 10:02
হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে ১০ অজানা তথ্য<br />

হাজরে আসওয়াদ হলো, পবিত্র কাবার গায়ে এটে দেয়া একটি পাথর। হাজিগণ হজ করতে গিয়ে তাতে সরাসরি বা ইশারা করে চুমু দিয়ে থাকেন। এই পাথরটি মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে পরিচিত একটি পাথর। কালো বর্ণ হওয়া ছাড়াও অসংখ্য প্রশ্ন, কৌতুহল ও রহস্যে আবৃত এই হাজরে আসওয়াদ। আসুন, পাথরটি সম্পর্কে কয়েকটি অজানা তথ্য জেনে নেই।

১. ইসলামপূর্ব কুরাইশদের যুগে কাবা শরিফের গিলাফ যখন পুড়ে গিয়েছিল, তখন এই হাজরে আসওয়াদও পুড়ে গিয়েছিলো। ফলে তার কৃষ্ণতা আরো বৃদ্ধি পেল।

২. আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর রা. এর শাসনামলে হাজরে আসওয়াদ ভেঙ্গে তিন টুকরো হয়ে গিয়েছিল। ফলে তিনি তাকে রুপা দিয়ে বাধালেন। আর তিনিই সর্বপ্রথম হাজরে আসওয়াদকে রুপা দিয়ে বাধানোর সৌভাগ্য অর্জনকারী।

৩. ১৭৯ হিজরীতে খলিফা হারুনুর রশিদ রহ. হাজরে আসওয়াদকে রুপা দ্বারা বাধাই করা দেখে তার মনে পাথরটিকে সংরক্ষণ ও মেরামতের খেয়াল এল। ফলে তিনি হীরা দ্বারা তাকে ছিদ্র করে রুপা দ্বারা ঢালায় করে দেন।

৪. ১৮৮ হিজরীতে আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদ রহ. তার এক নির্মাতাকে নির্দেশ দিলেন। ফলে রুপা অপসারণ করা হয়। তারই নির্দেশে হাজরে আসওয়াদসহ তার আশপাশের উপর নিচের পাথর ছিদ্র করে তাতে রুপা ঢেলে দেয়া হয়।

৫. ৩১৭ হিজরিতে কারামতিরা হারাম শরিফে অতর্কিত আক্রমণ করে হাজরে আসওয়াদ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ৩৩২ হিজরিতে ফিরিয়ে এনে চুনা দিয়ে তার চারপাশ এঁটে দেয়া হয়। ৩৬৩ হিজরিতে রোম দেশীয় এক অমুসলিম হাজরে আসওয়াদ আক্রমণ করে এবং ইস্পাতের কুড়াল দ্বারা আঘাত করে। ফলে তাতে দাগ পরে যায়।

৬. ৪১৩ হিজরিতে এক নাস্তিক লৌহ শলাকা দিয়ে হাজরে আসওয়াদের ওপর হামলে পড়ে। ফলে তা ছিদ্র হয়ে যায়। এরপর বনি শায়বার কিছু লোক তার ভগ্নাংশগুলোকে একত্র করে কস্তুরি দ্বারা ধৌত করে তার টুকরোগুলো পুনরায় জোড়া লাগিয়ে দেয়।

৭. ৯৯০ হিজরিতে ইরাকের আধিবাসী এক অনারব লোক মক্কায় আসে এবং লৌহ শলাকা দিয়ে হাজরে আসওয়াদ আক্রমণ করে। তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এবার কোন ক্ষতি করতে পারেনি সে।

৮. ১৩৩১ হিজরিতে সুলতান মোহাম্মদ রাশাদ হাজরে আসওয়াদের চারপাশে রুপার একটি নতুন বেষ্টনী তৈরি করে দেন।

৯. আফগানিস্তান থেকে এক ব্যক্তি মক্কায় এসে হাজরে আসওয়াদের একটি টুকরো উপড়ে ফেলে দেয় এবং ওই লোকটি কাবার গিলাফের একটি অংশের সাথে কাবার চৌকাঠের এক টুকরো রুপাও চুরি করে নিয়ে যায়।

১০. ১৮/০৪/১৩৫১ হিজরীতে সৌদি বাদশা আবদুল আজিজ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও অনেক আলেম ওলামাসহ কাবা শরিফে উপস্থিত হন এবং হাজরে আসওয়াদের মজবুতির জন্য তাতে মেশকে আম্বরেমত মূল্যবান পাথর সংযুক্ত করেন।

ব্রেকিংনিউজ/ আরএস

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2