শিরোনাম:

চোখের যত্ন নেবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

২৩ জুন ২০১৮, শনিবার
প্রকাশিত: 10:44
চোখের যত্ন নেবেন যেভাবে
ফাইল ছবি

চোখ আমাদের দেহের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি অঙ্গ। আর এই চোখেই যদি দেখা দেয় নানা সমস্যা তাহলে আর ভোগান্তির অন্ত থাকে না। তাই চোখের যত্ন নেওয়াটাও অত্যন্ত জরুরী।

চোখের যত্ন বলতে কী বুঝি?

চোখের যত্ন বলতে সাধারণত বুঝি ছোটবেলায় বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে চোখের পরীক্ষা করা। এর পর বয়স ৪০ হলে চোখের একটি স্ক্রিনিং করা যে চোখ ঠিক আছে কি না। এরপর চোখের সাধারণত যে যত্ন, যেমন—চোখ পরিষ্কার রাখা, ভ্রমণ করার সময় সানগ্লাস ব্যবহার করা ইত্যাদি জরুরি। এটা অনেক সময় ধুলাবালি, ময়লা সব দিক থেকেই আমাদের সুরক্ষা দেয়। দীর্ঘ ভ্রমণে বা যেখানে রোদে ধুলাবাতাস থাকে, সেখানে সানগ্লাস বা সুরক্ষা দেওয়ার গ্লাস ব্যবহার করতে পারি।

এছাড়াও কয়েকটি বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে সেগুলো হলো:

আলাদা তোয়ালে ব্যবহার: শরীরের জন্য যে তোয়ালে ব্যবহার করা হয় মুখের ক্ষেত্রে তা বাদ দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। মুখ মোছার জন্য আলাদা নরম তোয়ালে বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে শরীরের জীবাণু চোখের সংস্পর্শে আসবে না।

চশমা পরিষ্কার রাখা: পাওয়ারসহ চশমা হোক বা সানগ্লাস, সবসময় পরিষ্কার রাখা জরুরি। যারা বেশি পাওয়ারের চশমা পরেন, বৃষ্টির সময় তাদের উচিত ব্যাগে একটি বাড়তি চশমা রাখা। কারণ পানি লেগে চশমা ঘোলা হয়ে যেতে পারে।

লেন্স পরার ক্ষেত্রে সচেতন থাকুন: যারা লেন্স ব্যবহার করেন তাদেরও উচিত হবে সঙ্গে বাড়তি লেন্স ও আনুসঙ্গিক জিনিসগুলো রাখা। লেন্সে যাতে ধুলাবালি না ঢোকে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে সানগ্লাস কাজে লাগাতে পারেন।

চোখে সরাসরি বৃষ্টির পানি যাতে না পড়ে: বৃষ্টির পানি সরাসরি চোখে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে না। চেহারায় বৃষ্টির পানি উপভোগ করার সময় চোখ খোলা যাবে না। কারণ, বৃষ্টির পানি বিশুদ্ধ হলেও আকাশ থেকে মাটিতে আসা পর্যন্ত এতে অসংখ্য জীবাণু, মাইক্রোব এবং বিভিন্ন পরিবেশগত দূষিত উপাদান, যা চোখের জন্য ক্ষতিকর।

চোখে পানির ঝাপটা দেয়া: দিন শেষে ঘরে ফিরলে পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখে ঝাপটা দেয়া উচিত। তবে এর আগে হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। হালকাভাবে চোখে পানি ঝাপটা দেয়া হলে চোখ পরিষ্কার থাকবে।

চোখের ওপর অত্যাচার করবেন না: দীর্ঘ সময় একটানা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকা বা চোখে পীড়া দেয় এমন কাজ না করাই উত্তম। কিছুক্ষণ পর পর অন্তত ১৫-২০ মিটার দূরের কিছুর দিকে তাকিয়ে থাকুন। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধও করে রাখতে পারেন। এতে একটানা চোখের ওপর অত্যাচারের মাঝে মাঝে কিছুটা হলেও উপকার হবে। আর চোখ ভালো থাকার জন্যে অবশ্যই আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।

ব্রেকিংনিউজ/এনকে

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2