শিরোনাম:

সরকারের নীলনকশায় ‘মাইনাস ওয়ান’ খালেদা জিয়া: ফখরুল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১০ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 4:14 আপডেট: 9:31
সরকারের নীলনকশায় ‘মাইনাস ওয়ান’ খালেদা জিয়া: ফখরুল
ছবি: সালেকুজ্জামান রাজীব

একটি সুদূরপ্রসারী নীলনকশার মধ্য দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে ‘মাইনাস করার ষড়যন্ত্র’ চলছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পাশাপাশি তিনি এ-ও বলেছেন, ‘দেশনেত্রী কেন জেলে তা আমরা সবাই জানি। সুদূরপ্রসারী নীলনকশার মধ্য দিয়ে তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে কারাগারে। এই নীলনকশাটি হল ‘মাইনাস ওয়ান’। বর্তমান সরকারের একটিই টার্গেট- বেগম জিয়াকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে হবে।’ 

বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের আয়োজনে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের সাজা বাতিলের দাবিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আপনারা যদি অনেকদিনের মেমোরি ঝালিয়ে নেন তাহলে দেখবেন আমাদের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু একটি কথা সবসময় বলেন- ‘রাজনীতিকে খালেদা মুক্ত করতে হবে’। তিনি শুধু এই একটা কথাই বহুদিন বহু জায়গায় বহুবার বলেছেন। এ থেকেই স্পষ্ট, বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে খালেদা জিয়াকে দূরে সরানোর চেষ্টা চলছে। বর্তমান অবৈধ ক্ষমতাসীনরাও মনে করে- বেগম জিয়াকে রাজনীতিতে রাখা যাবে না।’ 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কি অপরাধ তাঁর (খালেদা জিয়া)? অপরাধ হল তিনি বাংলাদেশের মানুষের কথা বলেন। বঞ্চিত-নিপীড়িতের অধিকারের কথা বলেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন। একই সঙ্গে একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ দেখতে চান। সেই অপরাধেই এই নীলনকশার মধ্য দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাগুলো সাজানো হয়েছে। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কারাবন্দি করা হয়েছে।’ 

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে মামলাগুলো সাজানো হয়েছে বা তাঁকে যেসব মামলায় সাজা দেয়া হয়েছে এগুলো করা হয়েছিল ১/১১ এর পরে। ১/১১র পরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা ছিল ৪টি এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ছিল ১৫টি। দু’জনের বিরুদ্ধেই একই ধরনের মামলা ছিল। সবগুলো দুর্নীতির মামলা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ১/১১র কুশীলবদের সহযোগিতায় ক্ষমতায় আসার পরে তিনি (শেখ হাসিনা) তাঁর সবগুলো মামলা তুলে নিলেন। আর দেশনেত্রীর (খালেদা জিয়া) বিরুদ্ধে মামলাগুলো থাকলো। পরবর্তীতে আরো অনেকগুলো ক্রিমিনার কেস যুক্ত হয়েছে। আবার একই সঙ্গে ৫টি থানায় উড়ে গিয়ে বাস পুড়িয়ে দেয়ার মতো মামলাও তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের পর যুক্ত হল। এগুলো করার একটাই উদ্দেশ্য, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনীতিতে স্বস্তিতে থাকতে না দেয়া।’ 

ক্ষমতাসীনদের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘বারবার তারা বলে যে, খালেদা জিয়াকে রাজনীতিতে থাকতে দেবো না। তাঁকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতে হবে। বেগম জিয়াকে দূরে সরিয়ে দিতে নয় তিনি যে রাজনীতি করেন সেই রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে দিতে চায় এই সরকার। এই কথাগুলো আমাদের মাথার মধ্যে না রাখলে আমরা কোনও কাজেই সফল হবো না।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খালেদা জিয়ার অপরাধ একটাই, তিনি বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের কথা বলেন। দেশের মানুষের যে স্বকীয়তা আছে সেই স্বকীয়তার কথা বলেন। তিনি গণতান্ত্রিক একটা রাষ্ট্র নির্মাণের কথা বলেন। সেই কারণেই এই মামলাগুলো দেয়া হয়েছে, দেয়া হচ্ছে। আমরা এই নীলনকশাকে ভেঙে দিতে ব্যর্থ হয়েছি। যে নীলনকশা শুরু হয়েছিল ২০০১ সালে জোট সরকার যখন ক্ষমতায় আসলো তখন। তখন আমেরিকার ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নামের একটি পত্রিকায় একটি নিউজ ছাপা হল। যেখানে একটি ছবি দেয়া হল। ছবিতে একজন মাওলানা ছুরি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। তার ছুরিটি রক্তাক্ত, জামায় রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। পত্রিকায় লেখা হল ‘ইজ বাংলাদেশ গোয়িং টু বি মিলিট্যান্টস স্টেইট?’। ওই নিবন্ধেই বলা হলো বাংলাদেশ কি একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে? এটি লিখেছিল অরবিন্দ আধিকা নামের একজন সাংবাদিক। যার জন্ম ভারতে আর চাকরি করতেন আমেরিকার পত্রিকায়। এর কিছুদিন পরে বাংলাদেশের পত্রিকায় সেই একইভাবে লেখা হলো বাংলাদেশ কি অকার্যকর রাষ্ট্র হয়ে যাচ্ছে? তার পরের ধারাবাহিকতা কিন্তু আমরা জানি। এর পর জঙ্গিবাদের কথা, ইসলামিক মিলিট্যান্সির কথা, ফ্যানাটিসিজমের কথা। জোটের সরকারকে মৌলবাদী সরকার হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া কিন্তু জেলে। এ কথাগুলো ভুলে গেলে কিন্তু ভুল করা হবে। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ বা প্রধানমন্ত্রী বিএনপি আর খালেদা জিয়াকে দেখতে পারেন না তা নয়, এর পেছনে গভীর রাজনীতি আছে। সেই রাজনীতি আমাদের বুঝতে হবে।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা দীর্ঘ আন্দোলন করেছেন। তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আছে। আন্দোলন করে স্বৈরাচারকে হটানোর অভিজ্ঞতা আপনাদের আছে। এজন্যই এ কথাগুলো বলছি। আমাদের নেতাদের মধ্যে অনেকেরই হতাশা আছে। এখনও আন্দোলন হচ্ছে না। হবে না। ৯০ এর মতো গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে হবে। অবশ্যই গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়েই এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। কিন্তু কেন হচ্ছে না সেটা নিজেকে জিজ্ঞেস করুন। তখনকার প্রেক্ষিত কি ছিল আর এখনকার প্রেক্ষিত কি।’ 

তিনি বলেন, ‘আজকের পত্রিকাগুলো পড়লে দেখতে পারবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনও সমাবেশ করা যাবে না বলে ঘোষণা দিয়ে রাখা হয়েছে। আমার মনে পড়ে আমি যখন ঢাকা কলেজের ছাত্র তখন আমাদের প্রিন্সিপাল ছিলেন দারুণ দাপুটে মানুষ। তিনি আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করতে দিতেন না পাকিস্তান আমলে। আমরা একটু গান গেয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাব সেটাও করতে দিতেন না। একেবারে রাজনীতি ব্যান্ড ছিল। আজকে পত্রিকা পড়ে মনে হচ্ছে আমরা কি আইয়ুব খানের দিকে ফিরে গেলাম? আইয়ুব খানের আমলে একটি ছাত্র সংগঠন গঠিত হয়েছিল। তারাও আজকের এই ছাত্রলীগের মতো হকিস্টিক, লোহার রড গলায় জড়িয়ে সাধারণ ছাত্রদের ভয় দেখিয়ে বেড়াতো। তখন অন্যান্য যে ছাত্র সংগঠনগুলো ছিলো ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগ ও অন্যান্য সংগঠনগুলো কোনও মিটিংই করতে পারতো না। আমার মনে হচ্ছে আমরা সেই সময়ে চলে গেছি। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বিদ্যাপিঠ নয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তচিন্তার পাদপীঠ। এই বিশ্ববিদ্যালয়ই প্রজন্মকে পথ দেখিয়েছে। আজ সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মানুষকে বেড়ি পরিয়ে দিচ্ছে, কেউ যেন কথা বলতে না পারে। তাহলে বুঝতে হবে এটাও ওই ‘মাইনাস ওয়ান’ চক্রান্তেরই অংশ।’

সাবেক এই ছাত্র নেতা বলেন, ‘আজকে যারা কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলন করেছে তারা প্রাণের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। একজনকে তো খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না। আরেকজনকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। একজনের তো দুই পা ভেঙে দিয়েছে। কাজেই এই সরকার কি ধরনের সরকার, কাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তারা কাজ করছে এটা বুঝার উপলব্ধিতে যেন ভুল না হয়।’

তিনি বলেন, ‘আজকে আদালতকে ক্ষমতাসীনরা দখল করে নিয়েছে। সবকিছু সেই আদালতকে দিয়েই করাচ্ছে। আপনার মামলার সাজা দেয় কে? আদালত। ত্রায়োদশ সংবিধান সংশোধনী কে আনলো? সবকিছুই করানো হয়েছে আদালতকে দিয়ে। সরকার কোনও ফরমান দিয়ে নিয়ে আসেনি। সবকিছু আদালতের আদেশ দিয়ে করছে। ক্ষমতাসীনরা এখন প্রায়ই বলে- ‘বেগম জিয়াকে কি আমরা জেলে পাঠিয়েছি? তাঁকে তো জেলে পাঠিয়েছে আদালত।’ 



আওয়ামী লীগের সাধারণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির এই শীর্ষনেতা বলেন, ‘গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে একটি মন্তব্য করেছেন। একজন রাজনৈতিক সচেতন মানুষের পক্ষে এই ধরনের মন্তব্য করা উচিৎ হয়নি। কারণ ‘বেগম জিয়ার জন্য মানুষ কাঁদে না’- এই উপলব্ধি যার আছে তার বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে কোনও উপলব্ধিই নেই। খালেদা জিয়ার জন্য ঘরে ঘরে মানুষ রোজা রাখে, মহিলারা চোখের পানি ফেলেন। আপনি যান, গিয়ে দেখেন। আপনারা বুঝতে পারেন না বলেই আজকে এই জায়গায় গেছেন। যেখানে গেছেন সেখান থেকে আর কোনোদিনও ফিরতে পারবেন না। যেখানে গেছেন সেখানে জনগণের কোনও স্থান নেই। সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন। গণবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন। আপনরা আজকে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে, বন্দুক পিস্তলের উপর নির্ভর করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টরক দিয়ে যেভাবে হুকুম দিয়েছেন এমন হুকুমের বলে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। একটা দিনের জন্য ক্ষমতা ছেড়ে দেন না। দেখেন দেশের অবস্থা কি হয়। আপনারা যে অবস্থায় এসে গেছেন এটা কোনভাবেই একটা আধুনিক রাষ্ট্র নির্মাণের জায়গা নয়। আপনারা একে একে সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার কোনও পরিবেশ নেই। ছাত্রলীগ দখল করে নিয়েছে সব। স্বাস্থ্য বিভাগে চিকিৎসার পরিবেশ নেই। নৈরাজ্য চলছে। ডাক্তাররা হাসপাতালগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। রোগীদের বের করে দিচ্ছে।’  

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে কতদিন জেলে রাখবেন। রাখতে পারবেন না। ইতিহাস তা বলে না। ইতিহাস বলে এই দেশের মানুষ সব সময় নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের পক্ষে। যাকে অন্যায়ভাবে করারুদ্ধ করা হয় তাঁর পক্ষে। বেগম জিয়াকে একদিন জনগণ বের করে আনবে। কারাগার ভেঙেই বের করে আনবে। সময় ও সুযোগ মতো সেটা দেখা যাবে।’ 

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘আমাদের কাজ হলো মানুষকে জানানো। তাদের উৎসাহিত করা করা। অনেকেই মনে করেন এটা বিএনপির সমস্যা। কিন্তু এটা শুধু বিএনপির সমস্যা নয়। খালেদা জিয়া বা তারেক রহমানের সমস্যা নয়। এটা সমগ্র জাতির সমস্যা।’

নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এমন নির্বাচন কমিশন তৈরি করার চেয়ে না তৈরি করাই ভালো ছিল। এর চেয়ে সরকারি কর্মচারিদের দিয়ে নির্বাচন করানো ভালো ছিল। এই নির্বাচন কমিশনের না আছে ব্যক্তিত্ব, না আছে শক্তি, না আছে যোগ্যতা। একটা ভোট এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু করতে পারেনি। একজন সচিবকে দিয়ে সরকার নির্বাচন কমিশন চালাচ্ছে। হেলালুদ্দিন সাহেব। উনাকে সচিবালয় থেকে এসেছেন। নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। শুনেছি তিনি কমিশনে অফিস করেন বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এরপর চলে যান একটি বিশেষ দলের বিশেষ কার্যালয়ে। সেখানে তাদের দলের নির্বাচনের কৌশল তৈরি হয়। যে অফিসের প্রধান এইচটি ইমাম। তিনি যে কোনও নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে কথা বলেন। সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে কথা বলেন। এবং তিনি স্বীকারই করেছেন যে, ২০১৪ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচন তিনিই করিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে। এখানে আপনি গণতন্ত্রের কি আশা করবেন? তবে হতাশ হবেন না। হতাশ হলে ইতিহাস তৈরি হতো না। সুস্থ জিনিস আসতো না। আমরা মানুষের পক্ষে আছি। মানুষের সাথে আছি। আমরা অবশ্যই সফল হব। আরো দৃঢ় হোন। মনকে শক্ত করেন। মানুষকে জাগ্রত করেন, মানুষকে নিয়ে আসেন। আমরা ঢাকা শহর বসে বসে বক্তৃতা করবো আর বাইরে যাব না তা হবে না।’ 

তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রীকে মুক্ত না করে আমরা নির্বাচনে যাবো না। আমরা অবশ্যই নির্বাচনে যাব, তবে তার আগে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করতে হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচনকালীন সময় একটি নিরপেক্ষ সরকার দিতে হবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাহলে কেবল নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হবে। এসবের আগে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। আসুন এসব দাবি আদায়ের জন্য একটি ইস্যুতে সবাই একমত হই। সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের অধিকারগুলো ফিরিয়ে আনি।’

সমাবেশে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহ-জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, জাগপা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফুর রহমাম ও যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।

ব্রেকিংনিউজ/এএইচ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2