শিরোনাম:

অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ঢাবিতে বসছে নিরাপত্তা চৌকি: ভিসি

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
১০ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 5:38 আপডেট: 9:25
অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ঢাবিতে বসছে নিরাপত্তা চৌকি: ভিসি
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা চৌকি বসানো হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য আখতারুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মীরাই এসব চৌকিতে দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানিয়েছেন ভিসি।

মঙ্গলবার (১০ জুলাই) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন উপাচার্য।

তিনি বলেন, ‘কিছু অশুভ শক্তির অনুপ্রবেশের কারণেই কোটা আন্দোলনের মতো একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও শক্তিশালী আন্দোলন নষ্ট হয়ে গেছে। তাই এখন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রক্টরের অনুমতি ছাড়া বহিরাগত কেউ ক্যাম্পাসে অবস্থান ও ঘোরাফেরা করতে পারবেন না। বহিরাগতদের যেকোনও কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রক্টরের অনুমতি নিতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জায়গা উল্লেখ করে উপাচার্য আখতারুজ্জামান আরও বলেন, ‘ক্যাম্পাস কোনও বাজারঘাটের স্থান নয়। বিশ্ববিদ্যালয় গণতন্ত্রের সূতিকাগার। এখানে শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিতর্ক, কবিতা, গানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। তবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয় এমন বহিরাগতদের আর ক্যাম্পাসে অনুপ্রবেশ করতে দেয়া হবে না।’

ভিসি আরও বলেন, ‘শিক্ষা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে বিশ্ববিদ্যালয় সব সময় স্বাগত জানায়। তবে হুট করে কেউ বাইরে থেকে এসে ক্যাম্পাসে মাইক বাজানো শুরু করবে, হট্টগোল করবে, শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করবে- এমনটি কখনোই বরদাশত করা হবে না।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গাড়ি প্রবেশ করে। এটা বন্ধ করা হবে। আমরা সড়ক ব্যবস্থাপনা করব। যেমন ফুলার রোডে দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল চালানো রোধে সড়ক গতিরোধক বসিয়েছি। শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস তারা যেন নিরাপদ থাকে আমরা সেই চেষ্টা করব। নিরাপত্তা চৌকি মানে ক্যান্টনমেন্ট না, পুলিশ পোস্ট না, এখানে আমাদের সিকিউরিটি গার্ড থাকবে।’

ক্লাস পরীক্ষায় বাধা দেয়া কোনো ক্রমেই শুভ পদক্ষেপ নয় উল্লেখ করে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘বিগত কয়েক মাস ধরেই এমনটি লক্ষ্য করছি। ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনকে আমরা কিছুতেই স্বাগত জানাই না। ভবিষ্যতে যেন শিক্ষার্থীদের এমন উসকানি আর দেয়া না হয়।’

স্বতর্স্ফূত আন্দোলনকে দুষ্টচক্র নষ্ট করে ফেলল- এমন মন্তব্য করে উপাচার্য বলেন, ‘কোটা আন্দোলনের শুরুটা ছিল দারুণ স্বতঃস্ফূর্ত। আমরাও আন্দোলনকারীদের পক্ষে নৈতিক সমর্থন দিয়েছি। কিন্তু সময়ের আবর্তে বিভিন্ন অপশক্তি ও অশুভ শক্তি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অনুপ্রবেশ করলো। আর তাতে ইতিবাচক একটি আন্দোলন পথ হারালো।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2