শিরোনাম:

কাঁঠালিয়ায় সেতু-সড়ক ভেঙে জনদুর্ভোগ

আমিনুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি
১২ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 4:47 আপডেট: 4:53
কাঁঠালিয়ায় সেতু-সড়ক ভেঙে জনদুর্ভোগ

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার কানাইপুর খালের ওপর নির্মিত লোহার সেতু ও কানাইপুর-কৈখালী সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে কানাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীরা। 

এই সেতু ও সড়ক ব্যবহার করে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কানাইপুর, দক্ষিন চেঁচরি, কৈখালী, বীনাপানি, রাঁধানগরসহ ৮ গ্রামের অন্তত ১০ হাজার মানুষ আমানউল্লাহ মহাবিদ্যালয়, কাঁঠালিয়া সদর ও ভান্ডারিয়া উপজেলায় যাতায়াত করেন।

এলাকাবাসী জানায়, গত দুই সপ্তাহ আগে একটি ট্রলারের ধাক্কায় কানাইপুর সেতুটি একদিকে হেলে পড়ে। এতে সেতুতে থাকা বেশকিছু ঢালাই করা পাটাতন খালে পড়ে যায়। পরে এলাকাবাসী খাল থেকে কিছু পাটাতন সংগ্রহ করে সেতুটি মেরামত করলেও বর্তমানে সেতুটি দিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

এছাড়াও সম্প্রতি কানাইপুর-কৈখালী সড়কটি ভেঙে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, স্থানীয়দের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।

কানাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার জানায়, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে যেতে হলে প্রতিদিন সেতুটি পারাপার করতে হয়। বর্তমানে সেতু ও সড়ক ভেঙে যাওয়ায় আমাদের বিদ্যালয়ে যেতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সেতু পারাপার করতে পারছেনা। তাই স্কুলের শিক্ষকদেরকে ছোট শিশুদের সেতু পার করিয়ে দিতে হয়।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুল রানী বলেন, ‘অধিকাংশ শিক্ষার্থী সেতুর অপর প্রান্ত থেকে বিদ্যালয়ে আসে। সেতু ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। প্রতিদিন বাচ্চাদের সেতু পার করিয়ে আনতে হয় আবার ছুটি শেষে দিয়ে আসতে হয়। শিশুদের কথা বিবেচনা করে এখানে জরুরি ভিত্তিতে একটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।’

বিদ্যালয়ের সভাপতি সমরেশ মন্ডল বলেন, ‘কানাইপুর খালের ওপর নির্মিত সেতু ও কানাইপুর-কৈখালী সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যালয়ে আসতে শিক্ষার্থীদের এবং বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে সেতুটি ও ভেঙে যাওয়া সড়কের দুটি স্থানে কালভার্ট নির্মাণ করা প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন রিপন বলেন, ‘সেতু চলাচলের জন্য স্থানীয়রা সাময়িক ভাবে মেরামত করেছে। তবে শিশু শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে সেতুটি টেকসই মেরামত অথবা নতুন করে নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ভাঙা সড়কে কালভার্ট নির্মাণের ব্যবস্থাও করা হবে।’

ব্রেকিংনিউজ/এসএএফ

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2