শিরোনাম:

বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত!

নিউজ ডেস্ক
২৭ আগস্ট ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 2:20 আপডেট: 4:06
বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত!

“বল বীর- 
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারী' আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রীর!” 


কবিতার প্রতিটি শব্দেই যেন প্রকাশিত হয় বিদ্রোহ। কবিতার কবিকে চেনেন সবাই, তিনি বিদ্রোহের কবি, তিনি দ্রোহ, সাম্য আর মানবতার কবিতা। বলছিলাম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা।  

যিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ – দুই বাংলাতেই তাঁর কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

বিদ্রোহী কবি বলে খ্যাত কাজী নজরুল ইসলাম অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন সবসময়। নজরুলের প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। বিচিত্র জীবনে স্থানীয় এক মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবেও ছিলেন তিনি। রুটির দোকানেও কাজ করেন তিনি। 

কাজী নজরুলের লেখনি জাতীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে। তার কবিতা ও গান মানুষকে যুগে যুগে শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তার গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস। নজরুল মহৎ প্রতিভার অধিকারী ছিলেন

বাংলা ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ ( ২৪ মে, ১৮৯৯) বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে কবি কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন। দুখু মিয়া নামের তিনি পরিচিত ছিল শৈশবে। 

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই শেখ মুজিবুর রহমান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাংলাদেশে তার বসবাসের ব্যবস্থা করেন। ধানমন্ডিতে কবির বসবাসের জন্য একটি বাড়ি প্রদান করেন তিনি। মধ্য বয়সে তিনি রোগাক্রান্ত হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।

দীর্ঘকাল অসুস্থ থাকার পর কবি ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট (১২ ভাদ্র) ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে দাফন করা হয়। আজ (সোমবার) ১২ ভাদ্র, কবি নজরুলের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী।

দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, সংগঠন নানা কর্মসূচি নিয়েছে।

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2