শিরোনাম:

শাস্তি নয়, ওরা প্রশংসার দাবিদার: পেন্স

মিডিয়া ডেস্ক
৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 4:09 আপডেট: 6:12
শাস্তি নয়, ওরা প্রশংসার দাবিদার: পেন্স<br />

রাখাইনে জাতিগত নিধনের ঘটনা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরায় মিয়ানমারের আদালতে কারাদণ্ড পাওয়া বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই সাংবাদিকের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ওয়া লোন এবং কিয়াও সো ও মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণহত্যার যে ঘটনা বিশ্বের সামনে উদঘাটন করেছেন সেজন্য তাদের জেলে শাস্তি না দিয়ে প্রশংসা করা উচিৎ। ওরা প্রশংসা পাওয়ার দাবিদার।’

গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথাও মিয়ানমার সরকারকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন পেন্স। 

ঔপনিবেশিক আমলের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে গত সোমবার রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয় ইয়াংগনের একটি আদালত।

রাখাইনে নিপীড়ন-নিধন চলাকালে ইনদিন গ্রামের ১০ নাগরিককে হত্যা করে পুঁতে ফেলার ঘটনাটি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন ওয়া লোন এবং কিয়াও সোও। এর পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলেও শুরু থেকেই নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন দুই সাংবাদিক। 

বিচার চলাকালে তারা আদালতকে বলেন, গত ১২ ডিসেম্বর ইয়াংগনের এক রেস্তোরাঁয় দাওয়াত দিয়ে নিয়ে দুই পুলিশ সদস্য তাদের হাতে কিছু মোড়ানো কাগজ ধরিয়ে দেন এবং তার পরপরই সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে সাজা ঘোষণার পর গতকাল মঙ্গলবার ইয়াংগনে দুই সাংবাদিকের স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলন করেন। ওয়া লোন এবং কিয়াও সোওকে নির্দোষ দাবি করে অবিলম্বে তাদেরকে স্বজনদের মাঝে ফিরিয়ে দেয়ার আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে। 

অন্যদিকে দুই সাংবাদিককে সাজার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পশ্চিমা বিশ্বের কূটনীতিকরা। দুই সাংবাদিকের সাজার ইস্যুটিকে মিয়ানমারের গণতন্ত্রণের জন্য বড় পরীক্ষা বলেও মনে করছেন তারা। সেই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত দুই সাংবাদিককে মুক্তি দিতেও সোচ্চার পশ্চিমা বিশ্ব।  

উল্লেখ্য, গেল বছরের আগস্টে সেনা নিপীড়নের মুখে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন করে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা সাগর ও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তাদের স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক মহলের চাপ রয়েছে মিয়ানমার সরকারের ওপর। তবে এখনও টনক নড়েনি বর্মি সেনাদের। 

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2