শিরোনাম:

ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের সাফল্য

কৃষি ডেস্ক
১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 5:05
ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের সাফল্য

ধানের দুটি নতুন জাত উদ্ভাবনে সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের একদল বিজ্ঞানী। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে গবেষণার পর ‘বিআর ৮৮’ ও ‘বিআর ৮৯’ নামে নতুন এই দুটি জাত উদ্ভাবন করেছেন তারা।

বোরো মৌসুমের জন্য এটি উচ্চ-ফলনশীল ধান বলে জানিয়েছেন উদ্ভাবকরা। এই দুটি ধানের জীবনকাল হবে বপন করা থেকে ধান কাটা পর্যন্ত ১৪৩ দিন। এর ফলন প্রতি হেক্টরে সাত টন হবে।

ধানটি গবেষণাগারে পরীক্ষা করার পর তা বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসোর্স কাউন্সিলের টেকনিক্যাল কমিটিতে সফলতার বিষয়টি অনুমোদন হয়েছে।

এব্যাপারে ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষক ড. মো আলমগীর হোসেন বলেন, এটি এখন ন্যাশনাল সীড বোর্ডে চূড়ান্ত পর্যায়ে অনুমোদন হবে। সাধারণত বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্স কাউন্সিলের টেকনিক্যাল কমিটিতে অনুমোদন হলে সেটা পরবর্তীতে চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে অসুবিধা হয় না।

দেশে বর্তমানে দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় উচ্চ-ফলনশীল ধান ব্রি ধান ২৮। 

এখন দুটি জাত ব্রিধান ২৮ এবং ২৯ এর সঙ্গে নতুন জাত বিআর ৮৮ এবং বিআর ৮৯ এর মূল পার্থক্য কী হবে-এমন প্রশ্নে আলমগীর হোসেন জানান, ব্রিধান ২৮- এর মত গ্রোথ হবে কিন্তু ফলন বেশি হবে। জাতীয়ভাবে ১০টা স্থানে তারা পরীক্ষামূলক ফলন করেছেন। সেখানে প্রতি হেক্টরে ৬০০ কেজি ধানের ফলন বেশি হয়েছে।

এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ধানটা হবে চিকন, সুস্বাদু, ২৮শের মত জীবনকাল কিন্তু ফলন বেশি।

আগামী দুই এক বছরের মধ্যেই কিছু কিছু কৃষকের কাছে ধানটা পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

ব্রেকিংনিউজ/আরএ

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2