শিরোনাম:

আজও খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রিটের শুনানি হয়নি

স্টাফ করেসপডেন্ট
১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 4:31 আপডেট: 5:22
আজও খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রিটের শুনানি হয়নি

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনের শুনানি আজও হয়নি। ফলে দ্বিতীয় দিনের মতো পেছাল রিটের ওপর শুনানি।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ‘নট টুডে’ (শুনানি আজ নয়) আদেশ দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

এর আগে গতকাল সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রিটের ওপর শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন একই আদালত।

পরে সাংবাদিকদের আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, ‘চিকিৎসা পাওয়া খালেদা জিয়ার সাংবিধানিক ও আইনগত অধিকার। সেই অধিকার থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকার তাঁকে বারবার বঞ্চিত করছে। এর প্রতিকার চেয়ে আমরা হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করি। সেই রিট আবেদনটি আজ হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ছিল। আমরা আদালতকে জানিয়েছি, সরকার যেহেতু পদক্ষেপ নিচ্ছে, আমরা সে জন্য অপেক্ষা করে দেখি।’

গত ৯ সেপ্টেম্বর কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ‘অসুস্থ’ খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ বোর্ড গঠন এবং এখন পর্যন্ত তাঁর চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। 

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।

কারাবন্দি হওয়ার পরপরই নানা রোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়া আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বিএনপি অনেক দিন ধরেই ইউনাইটেড বা বিশেষায়িত হাসপাতালে তাঁর ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছেন।

গত ৫ সেপ্টেম্বর পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত বিশেষ আদালতে হাজিরের পর খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয় সামনে আসেন। এদিন খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের তাঁর বাম হাত দেখিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘এ হাতটা ইয়ে (প্যারালাইজড) হয়ে গেছে, ডান পা বাঁকাতে পারি না। আমি খুবই অসুস্থ। ওরা (আদালত) যা খুশি তাই করুক।’ 

বিচারককে উদ্দেশ্য করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না। আমার পা ফুলে গেছে। বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে। ডাক্তার বলেছে, পা ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। এখানে আমি আদালতে বারবার আসতে পারবো না।  আপনাদের যা মনে চায়, যতদিন ইচ্ছা সাজা দিয়ে দিন।’

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ 

সংশ্লিষ্ট আরো খবর
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2