শিরোনাম:

নাজাতের উপায় তওবা

ধর্ম ডেস্ক
১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 8:39
নাজাতের উপায় তওবা

তওবা অর্থ হলো প্রত্যাবর্তন করা, ফিরে আসা। মানুষ যখন ভুল পথে যায় বা বিপথগামী হয়, তখন সেখান থেকে সঠিক পথে বা ভালো পথে ফিরে আসাকে তওবা বলা হয়। 

তওবার পারিভাষিক অর্থ হলো লজ্জিত হওয়া। অর্থাৎ স্বীয় কৃতকর্মে লজ্জিত হয়ে সঠিক পথে ফিরে আসা। 

 তওবা সম্পর্কে কোরআনে রয়েছে, ‘হে ইমানদারেরা, তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তওবা করো, আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে ঝরনাসমূহ প্রবহমান।’ (সুরা-৬৬ তাহরিম, আয়াত: ৮)। 

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তওবাকারীদের ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ২২২)।

আল্লাহ তা’আলা আরও ইরশাদ করেন, “(হে নবী) আপনি আমার ঐ সকল বান্দাদেরকে বলুন, যারা নিজেদের প্রতি সীমাহীন জুলুম করেছে, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হইয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন; নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (সুরা যুমার-৫৩)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, “হে মানব সকল! তোমরা আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, নিশ্চয় আমি প্রতিদিন ১০০ বার তওবা করি।” (মুসলিম)

রাসুলুল্লাহ (সা) আরো বলেন, “সকল আদম সন্তানই গুনাহগার, গুনাহগারদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো তওবাকারীরা।” (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)

উল্লেখ্য, আল্লাহর হক আল্লাহ ক্ষমা করবেন; কিন্তু বান্দার হক বান্দা ক্ষমা না করলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তাই তাওবা ইস্তিগফারের সঙ্গে সঙ্গে বান্দার হক পরিশোধ করা বা তাঁর থেকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া অবশ্যকর্তব্য।

ব্রেকিংনিউজ/এনকে

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2