শিরোনাম:

ফিলিস্তিনি গ্রামে ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার
প্রকাশিত: 9:03
ফিলিস্তিনি গ্রামে ইসরাইলি হামলার প্রতিবাদ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের  <br />

ফিলিস্তিনি বেদুইনদের গ্রাম খান আল আহমারে জনগণের ওপর বৃহস্পতিবার ইসরাইলি হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।

অভিযানে গ্রামটির পাঁচটি তাঁবু গুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের একটি ক্যাম্প খালি করে দেওয়া হয়। ইহুদি সেনারা ওই এলাকাটিকে ঘিরে রেখেছে এবং গ্রামটির ওপর অবরোধ জোরদার করেছে। 

খান আল আহমার গ্রামটি জেরুজালেমের বড় দুই অবৈধ বসতি মালে আদুমিম ও কাফফার আদুমিম এর কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত। ওই দুটি বসতিই সম্প্রসারণ করতে চাইছে ইসরাইল।
 
ইউরোপীয় সংসদ বলেছে,  ফিলিস্তিনিদের জোর করে বিতাড়িত করার অভিযান ইসরাইলকে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। ফিলিস্তিনের যে পরিস্থিতি ছিল তা বদলে দেয়ার জন্য যেসব পদক্ষেপ ইসরাইল নিচ্ছে সেসবই বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে এই সংসদ।
 
ইসরাইলের কথিত এক আদালত মুসলমানদের প্রথম কিবলার শহর পূর্ব বায়তুল মুকাদ্দাসে অবস্থিত খান আল আহমার মহল্লাটির ৩৫ পরিবারকে ওই মহল্লা থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছে। গত মে মাসের ওই নির্দেশের পর ইসরাইলি সশস্ত্র বাহিনী খান আল আহমারকে সামরিক নিষিদ্ধ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং সেখানে ভারী সামরিক সাজ-সরঞ্জাম ও বুলডজার নিয়ে প্রবেশ করেছে। কিন্তু ওই মহল্লার ৩৫ পরিবারের মোট ২০০ সদস্যসহ আশপাশের ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের এই অন্যায় উচ্ছেদ অভিযানের মোকাবেলায় প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ফিলিস্তিনকে পর্যায়ক্রমে গ্রাস করার বা গিলে ফেলায় দানবীয় ইসরাইলি নীতি জেনেভা কনভেনশনসহ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত প্রস্তাবগুলোর লঙ্ঘন।

ইউরোপীয় জোটের পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনি অবৈধ ইসরাইলি বসতি বিস্তারের বিরোধিতা করে বলেছেন, এসব পদক্ষেপ শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘জ্যাঁ ইভ লা দ্রিয়ান’ও খান আল আহমারকে গ্রাস করার ইসরাইলি পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, এসব পদক্ষেপ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে নষ্ট করবে।  

কিন্তু মার্কিন সরকারের সর্বাত্মক মদদপুষ্ট দখলদার ইসরাইল বিশ্বব্যাপী নিন্দা ও প্রতিবাদ সত্ত্বেও ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে জনসংখ্যার কাঠামো বদলে দিতে ফিলিস্তিনিদের বাড়ি-ঘর ধ্বংস করা ও তাদেরকে বিতাড়িত করার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলকে এ অঞ্চলের কেন্দ্রীয় এলাকাগুলো থেকে আলাদা করার জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে বাহরালমাইত অঞ্চল পর্যন্ত ১২ লাখ বর্গমিটার ভূমি দখল করে এ অঞ্চলে অবৈধ বসতি নির্মাণের ষড়যন্ত্র করছে দখলদার ও অবৈধ ইসরাইল সরকার।

ব্রেকিংনিউজ/আরএ

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2