শনিবার থেকে দেশের সব করোনা হাসপাতালে পৌঁছুবে ‘রেমডিসিভির’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২২ মে ২০২০, শুক্রবার
প্রকাশিত: ১০:৫৭

শনিবার থেকে দেশের সব করোনা হাসপাতালে পৌঁছুবে ‘রেমডিসিভির’

নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় বাংলাদেশের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের উৎপাদিত ওষুধ জেনেরিক রেমডিসিভির দেশের করোনা বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে পৌঁছুনোর প্রস্তুতি সেরেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। 

আগামীকাল শনিবার (২৩ মে) ১ হাজার রেমডিসিভির দেশের করোনা বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে পৌঁছে দেয়া হবে এবং একইসঙ্গে ওই ওষুধ করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োগ করা হবে। 

এর আগে বেক্সিমকোর পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দেয়া জেনেরিক রেমডিসিভির করোনা চিকিৎসায় বিশ্বের প্রথম কোনও ওষুধ হিসেবে অনুমোদন পায়।বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ‘বেমসিভির’ নামে ওষুধটি বিক্রি শুরু করতে যাচ্ছে বেক্সিমকো। 

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস থেকে ১ হাজার রেমডিসিভির হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার পর সেগুলো ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরে চলে যায়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে সেগুলো দেশের করোনা বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে পাঠানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। 

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘রেমডিসিভিরগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আসার পর থেকেই সেগুলো হাসপাতালে পাঠানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও স্বাস্থ্য অধিদফতর। খুব দ্রুতই হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় পৌঁছে যাবে রেমডেসিভির।’

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে বেক্সিমকো’র চিফ অপারেটিং অফিসার রব্বুর রেজা জানিয়েছিলেন, চলতি মে মাসের মাঝামাখি বেক্সিমকো ওষুধটি বাজারজাত করার অনুমতি পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এরপর থেকে সরকারের মাধ্যমে বিতরণের জন্য ওষুধটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করবে বেক্সিমকো। এই ওষুধ মানুষের শিরায় প্রয়োগ করতে হয়। প্রতি ডোজ ওষুধের দাম পড়বে ৫-৬ হাজার টাকা। আর গুরুতর অসুস্থ রোগীদের মোট ৫ তেকে ১১ ডোজ ওষুধ প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এটি এখনও নিশ্চিত নয়।

রেমডিভিসির উৎপাদনে সরকারি ভর্তুতি দেবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ঠিক ততটুকুই ওষুধ উৎপাদন করবো, যতটুকু বাংলাদেশ সরকার চাইবে।’

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। বিশেষত এপ্রিলের মাঝামাঝির পর থেকে প্রতিদিন ব্যাপক হারে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বাড়ে মৃত্যুর হারও।

বর্তমানে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার ২০৫ জন। মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩২ জনে।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

bnbd-ads
breakingnews.com.bd
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি