‘শাহেদকে আর পাওয়াই যেতো না, যদি...’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার
প্রকাশিত: ১০:৪৬ আপডেট: ১০:৪৭

‘শাহেদকে আর পাওয়াই যেতো না, যদি...’

বহুল বিতর্কিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ ওরফে শাহেদ করিমকে বুধবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্তে লবঙ্গবতী নদী থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তবে আর কিছুক্ষণ দেরি হলে শাহেদকে হয়তো আর পাওয়া যেতো না। করোনা পরীক্ষা জালিয়াতির এই মূল হোতা স্থানীয় দালালদের ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। 

শাহেদকে গ্রেফতারের পর বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘শাহেদ বোরকা পরিহিত ছিলেন। তিনি প্রতিবেশী দেশ ভারতে পাালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। আর কিছুক্ষণ দেরি হলে হয়তো তাকে আরও পাওয়া যেতো না।’

এদিকে শাহেদকে বুধবার সকাল ৯টার দিকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনার পর র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, ‘শাহেদ ঘনঘন তার অবস্থান পরিবর্তন করায় আমরা তার কাছে গিয়েও ধরতে পারছিলাম না। গতরাতে তিনি সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে দেবহাটা থানার কমলপুর গ্রামের ইছামতি খালের পাশে ভারতীয় সীমানায় অবস্থান করছিল। কারণ, নদীর যে সীমানা সেখানে কাটাতারের বেড়া খুবই দুর্বল হয়। এতে তার দেশত্যাগ সহজ ছিল।’ 

কর্নেল তোফায়েল বলেন, ‘সে ওই সীমান্ত পার হয়ে দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিল। মঙ্গলবার রাত থেকেই সেখানে সে অবস্থান নেয়। ভোরে তার সীমান্ত ত্যাগ করার কথা ছিল। কিন্তু আমাদের গোয়েন্দা দল, র‍্যাব-৬ তাদের সহযোগিতায় আগে থেকে ওঁৎ পেতে ছিল। বেশ কয়েকবারই যখন সে নিজের পরিকল্পনা পরিবর্তন করছিল, তাই র‍্যাব বেশি সতর্ক ছিল।’ 

তিনি বলেন, ‘শাহেদের সঙ্গে স্থানীয় দালালরা ছিল। যারা সীমান্ত পারাপারা করে। এমন কিছু দালালের নামও আমরা পেয়েছি, তাদের ধরতে কাজ করছি। বাচ্চু দালাল নামে একজন দালাল মাঝি ছিল। আরও দু-একজন তাকে নৌকায় পার হতে সাহায্য করছিল। আমরা তাদের নাম বলছি না, তারা আমাদের নেটওয়ার্কে রয়েছে। তাদেরকেও চেষ্টা করছি ধরে ফেলার।’

বহুল বিতর্কিত ব্যবসায়ী শাহেদ সাতক্ষীরারই ছেলে। গত ৬ ও ৭ জুলাই উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতাল এবং রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান দফতরে র‌্যাবের অভিযানের পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। এরইমধ্যে করোনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া সার্টিফিকেট দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৭ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব।

মামলার এজাহারে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহেদ করিমকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এরমধ্যে শাহেদসহ ৯ আসামি গ্রেফতার হলেন। এখনও পলাতক আছেন আছেন আরও ৮ জন। 

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজীপুর থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজকে গ্রেফতার করা হয়। 

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

breakingnews.com.bd
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি