“মজনুর শরীরে দাঁত-নখের আঁচড় থাকতো”

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৪ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ০১:২৪ আপডেট: ০২:৪৬

“মজনুর শরীরে দাঁত-নখের আঁচড় থাকতো”

ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের বিচার দাবিতে উত্তাল হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। ঘটনার তিনদিনের মধ্যেই অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার করে র‌্যাব। কিন্তু সংবাদপত্রে আসামির ছবি দেখে সমালোচনার ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নেটিজেনরা প্রশ্ন তোলেন মজনু ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রকৃত ধর্ষক কি না? এই নিয়ে বিভিন্ন মতামত প্রকাশিত হয় ইন্টারনেটে। এই নিয়ে গণমাধ্যম কর্মী শাপলা সোমা তার ফেসবুকে লিখেন, আক্রান্ত একটি মেয়ে সম্ভ্রম বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। অন্তত ধর্ষকের গায়ে তার দাঁত কিংবা নখের আঁচড় পাওয়া যাবে। নিচে সোমার ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলো: ঘটনার দিনে এবং পরদিনে বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদ বিশ্লেষণ করে দেখলাম,  ভিকটিম জানান, তিনি ৭ টার দিকে কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে নামেন। সেখান থেকে ফুটপাতে হেঁটে তিনি শ্যাওড়ার দিকে যাবার সময় কেউ এক/একাধিক জন তাকে পেছন থেকে ধরে নিয়ে যায়। জঙ্গলে নিয়ে উপর্যুপরি রেইপ করে। ডমিনেট করে, অনেক বেশি শক্তি প্রয়োগ করে, বার বার মেয়েটির পরিচয় জানতে চায়, মেয়েটিকে মারধর করে, ভয় দেখায়। পাশবিক নির্যাতনে বার বার জ্ঞান হারান শিক্ষার্থী। ১০ টার দিকে তার ফাইনালি জ্ঞান ফিরলে নিজেকে নির্জন স্থানে আবিষ্কার করে তিনি দৌড়ে একটি রিকশা/অটোরিকশা করে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখানে সব খুলে বললে বান্ধবী তাকে নিয়ে মেয়েটির আবাসিক হলে যান এবং সেখান থেকে যান ঢামেকে (রাত ১২ টায়)। পরদিন ক্যান্টনমেন্ট থানায় ভিকটিমের বাবা মামলা দায়ের করেন। এজাহারে তথ্য ছিল- “রেইপিস্ট ২৫-৩০ বছরের তরুণ, উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চির মত, গায়ের রং শ্যামলা, পরনে ময়লা জিন্সের ফুল প্যান্ট, গায়ে কালো জ্যাকেট। ধর্ষক ভিকটিমের মোবাইল এবং দুই হাজার টাকা নিয়ে গেছে।”

পরদিন ঘটনা জানাজানি হলে প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। দুদিন পর র‌্যাব অনানুষ্ঠানিক তথ্যে জানায় গাজীপুরের টঙ্গী থেকে কোন একজনকে আটক করা হয়েছে ভিকটিম তাকে ধর্ষক বলে সনাক্ত করেছে (র‌্যাবের দাবি)। প্রেস ব্রিফিং এ র‌্যাব দাবি করে বলে, "ভিকটিমের দেয়া বর্ণনার সাথে মজনুর মিল পাওয়া যায় এমনকি ভিকটিম বলেছে রেইপিস্ট এর সামনের দুটো দাঁত নেই। এটাও একটি বড় প্রমাণ।"

এখানে লক্ষণীয়, ভিকটিম তার বর্ণনায় রেইপিস্ট এর গায়ের রং, পোশাক, উচ্চতা, ডমিনেশনের কথা বললেও কোন দাঁত থাকা না থাকা ব্যাপারে কিছু বলেনি প্রথম দিন। মামলার এজাহারেও এমন কোন আইডেন্টিফিকেশন মার্কের কথা উল্লেখ করেনি সংবাদ মাধ্যম।

আমার প্রশ্ন, গায়ের রং দেখতে পেরেছে, হাইট অনুমান করার মত মানসিক সক্ষমতা মেয়েটার তখনও ছিল তাহলে দাঁত কেন দেখেনি? এতবড় একটি আইডেন্টিফিকেশন মার্ক সে কেন উল্লেখ করতে ভুলে যাবে?

কেউ বলবেন হয়তো, মেয়েটা আকস্মিক আক্রমণে নিজের বোধশক্তি হারিয়েছে। ট্রমাটাইজড হয়েছে, অনেককিছু ভুলে গেছে। তাহলে মেয়েটা দৌড়ে রিকশা নিয়ে পালালো কীভাবে? বান্ধবীকে বলল, মেডিকেলে ভর্তি হলো, মেয়ের বাবা মামলা করারও ডিসিশন নিলেন- এত সেন্স যার আছে সে কেবল দাঁত দেখতেই ভুলে গেল?

র‌্যাব বলেছে, মেয়েটিকে অজ্ঞান করতে কোন চেতনা নাশক ব্যবহার করা হয়নি। আচ্ছা তবুও ধরলাম মেয়েটাকে পেছন থেকে ধরার এবং ফেলে দেওয়ার আকস্মিকতায় সে অজ্ঞান হয়েছে। ধরলাম মেয়েটার ওজন ৪০-৪৫ কেজি। পাঠকগণ, এই ৪০%কেজি ওজন একদিন হাতে ধরে ১০ গজ দূরে নিয়ে যান দেখেন কতটা শক্তির দরকার লাগে। মাটিতে ছিচড়ে, হিচড়ে নিয়ে যেতেও পর্যাপ্ত শক্তির দরকার, সময়ের দরকার, ততক্ষণে মানুষের চোখে পড়ারও কথা ব্যাপারটা কারণ তখন সবে সন্ধ্যা ৭টা, এলাকাটা ক্যান্টনমেন্টের। ধরলাম মেয়েটি আকস্মিক আক্রমণে হতবিহ্বল হয়েছে। 

মনে রাখতে হবে, এটা কোন ছিনতাই নয়, দূর থেকে করা গুলি নয়, পেছন থেকে ছুরি দিয়ে গলা কাটা নয়, হঠাৎ করে গাড়ি এসে এক সেকেন্ড চাপা দেওয়ার ব্যাপার নয়। রেইপ হলো দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া। এর মধ্যে মেয়ের বুদ্ধি কয়েকবার স্থিত হবে, কয়েকবার সে আত্মরক্ষার উপায় ভাববে, চেষ্টা করবে।

এরপর আসি ডমিনেট করে রেইপ করার ব্যাপারে। মামলার এজাহার, ভিকটিমের স্বীকারোক্তি এবং র‌্যাবের প্রেসব্রিফিং অনুসারে, রেইপিস্ট এর হাতে কিন্তু কোন অস্ত্র ছিল না, মেয়েটির গলায় চাকু-ছুরি-পিস্তল ধরে রেইপ/ডমিনেট করা হয়নি।

বাঙালি নারী আমি। নিজেকে দেখেছি, হাজারো নারীকে দেখেছি। একজন মেয়ে নিজের জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসে তার সম্ভ্রমকে। প্রায়ই শুনে থাকবেন রেইপের শিকার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে, প্রেমিক ফাঁকি দিয়েছে বলে আত্মহত্যা করেছে। 

মানুষের কাছে নরমালি সবচেয়ে বড় সম্পদ তার জীবন। সেই জীবন বাঁচাতে মানুষ শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত চেষ্টা করে। বলা হয়ে থাকে, মানুষের শরীরের শতভাগ শক্তি তখন প্রয়োগ হয় এবং সে শক্তি তার মধ্যে আগে কখনও দেখা যায় না। তো নারীর কাছে জীবনের চেয়েও বড় যেহেতু তার সম্ভ্রম সেহেতু এটি রক্ষা করতে সে তার সর্বশক্তি, সর্ববুদ্ধি, কৌশল প্রয়োগ করবে। ৪৫ কেজি ওজনের একটি মেয়ের শক্তি, ভার্সিটি পড়ুয়া একটি মেয়ের বুদ্ধি এবং কৌশল ভার্সিটি পড়ুয়া প্রত্যেক মেয়ে জানবে। সে যুদ্ধ করবে। তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি না করা হলে, অজ্ঞান না করা হলে সে ছটফট কররে-নো রেইপ ইজ পসিবল। 

সেক্ষেত্রে কেবল রেইপ পসিবল যদি আক্রমণকারী একাধিক জন হয়, হাত পা বেঁধে রাখে অথবা যদি একজন হয় তাহলে তাকে এতটাই বলশালী হতে হবে যেমনটা অজগর সাপ হয়, যতটা অক্টোপাস হয়। সেক্ষেত্রেও অন্তত মেয়েটি তার দাঁত এবং নখ ব্যবহার করবে। কিন্তু আমরা আজো শুনিনি মজনুর কোথাও কামড়ের দাগ আছে, কোথাও নখের আঁচর আছে, কোথাও আঘাতের চিহ্ন আছে।

এরপর আসি একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির শক্তি, বুদ্ধি এবং আত্মবিশ্বাস কতটা হয়-মাদকাসক্ত ব্যক্তি দিনে ভাত-মাছ, পানি যতটা খায়, তার চেয়ে বেশি খায় মাদক। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এরা একটি ফ্রেম মাত্র। এদের না আছে মনে শক্তি না থাকে শরীরে শক্তি, না থাকে মাথায় বুদ্ধি। এরা মাদক নেওয়ার সময় যতটা ম্যানলি ফিল করে ততটা সক্ষম, শক্তিশালী পুরুষ মোটেও নয়। ধাক্কা দিলে পড়ে যাবে, গড়াগড়ি খাবে। শত চেষ্টা করেও আর উঠতে পারবে না যদি কেউ ধরে না তোলে।

র‌্যাবের তথ্যমতে ধর্ষক মজনু একাই। তো আমার মনে প্রশ্ন, এমন একটি মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার অনুপ্রেরণা একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর নেই?

হাউ স্ট্রেঞ্জ!
ফর ইউর কাইন্ড ইনফরমেশন, দেশের জরিপ বলেছে দেশের ৮৪% নারী যৌন হয়রানির শিকার। আর রেইপ হওয়া নারীদের মধ্যে আবার ৮৬ পার্সেন্টই শিশু-এবং সদ্য প্রাপ্তবয়স্ক তরুণী বা কিশোরী। জরিপ বলে, পাবলিক বাসে ৯৪ শতাংশ নারী কোন না কোন হয়রানির শিকার হয়। তো এই যখন সমাজের অবস্থা তখন কারোরই বলার উপায় নেই যে এই শিক্ষার্থী জীবনে এই প্রথম কোন পুরুষের বাজে দৃষ্টির কবলে পড়েছে- কী করতে হবে বুঝে উঠতে পারেনি। বরং এই মেয়ে জীবনে বেশ কয়েকবার পুরুষের লোলুপ দৃষ্টির শিকার হয়েছে এবং সেসব উতরে এসেছে একে একে। যদি নিজে খুব কম পরিস্থিতির শিকার হয় তাহলে সে অন্তত তার বন্ধু, স্বজন, পরিচিতদের কাছ থেকে এমন বহু আকারের, প্রকারের নিপীড়ন কৌশল সে শুনেছে। কেননা, মেয়েরা নিজের সাথে হয়ে যাওয়া নিপীড়ন লুকায় না। কাউকে না কাউকে বলে। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন নারীকেই বলে। সুতরাং ২১ বছর বয়সী একজন তরুণী জীবনে অনেক ঘটনা দেখেছে, শুনেছে সাবধান থেকেছে এবং যেকোন রকম বিপদ থেকে আত্মরক্ষা করার মত কৌশল সে ভেবে রেখেছে। সুতরাং কেউ বলবেন না, যে মেয়েটি তিনঘন্টা ধরে গাঁধা ছিল আর ১০ টার পর হঠাৎ সে চালাক হয়ে গেল, মাথার বুদ্ধি ফিরে পেল; মনের জোর, শরীরের জোর ফিরে পেল আর অমনি দৌড়ে নিজে রিকশা ডেকে বান্ধবীর বাসায় গেল, আবাসিক হলে গেল, মেডিকেলে গেল। আপনারা বললেও আমি চোখ বন্ধ করে 'ইয়েস স্যার' বলবো না। 'ইয়েস স্যার', 'জ্বি ভাই' কথাটায় আমার বড় আপত্তি। রাষ্ট্র আমাকে পড়িয়েছে, আমার মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটিয়েছে। এর ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে, প্রশাসনকে, সমাজকে প্রশ্ন করে, জবাবদিহিতায় বাধ্য করে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে সরকারকে সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।

এবার আসি, অভিযুক্ত মজনুকে আটক করা প্রসঙ্গে। র‌্যাব বলছে, "মজনু সিরিয়াল রেইপিস্ট।"  সুতরাং মজনু এ ব্যাপারে বেশ অভিজ্ঞ। কেননা, সে বার বার রেইপ করেছে কখনও ধরা পড়েনি। দেশটা এতটাও অরাজক হয়ে যায়নি যে একজন রেইপিস্ট বার বার রেইপ করে কৌশলে পালিয়ে না থেকেও কোনদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়বে না, কারো গণপিটুনি খাবে না- আজীবন সবার নাকের ডগা দিয়ে ঘুরেছে। সিরিয়াল রেইপিস্ট রেপ করে যথাযথ কায়দায় আত্মগোপন করার ক্ষমতা এবং বুদ্ধি মাথায় নিয়ে ঘুরবে। কিন্তু এইবার আমরা দেখলাম, রেইপিস্ট ক্রাইম করে দুই দিনের মধ্যেই আমার রাজধানীতে ফিরে এসে নির্দ্বিধায়, নিঃসঙ্কচিত্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর পুলিশ গিয়ে খপ করে ধরে ফেলেছে তাকে।

আবার মজনুকে ট্রেস করার যে বর্ণনা র‌্যাব দিল, সেটাও আমার মাথায় ঘুরপাক খায়। এমন নয় যে মজনুর হাতে ছিল ফোন,  তার মাধ্যমে ট্রেস করা গেছে লোকেশন। বরং র্য্যাব ব্রিফিং এ জানায়, মজনু ফোন নিয়ে এক মহিলার কাছে বিক্রি করে, সেই মহিলা আবার ফোনের স্ক্রিন মেরামত করার জন্য একজনের কাছে দেয়। পুলিশ প্রথমে তাকে ধরে, তারপর যায় মহিলার কাছে, মহিলার কাছ থেকে মজনুর চেহারা কেমন ছিল সেই বিবরণ শোনে, তারপর ধুপ করে মজনুকে ধরে ফেলে। 

উল্লেখ্য, র‌্যাব কিন্তু বলেনি যে ঐ মহিলা মজনুর আত্মীয়/পরিচিতজন ছিল এবং মজনু এখন কোথায় আছে সে বলে দিয়েছে। র্যাব জানিয়েছে, মহিলা শুধু তার কাছ থেকে ফোন কিনেছে। সো, আমার মনে সন্দেহ জাগে, আমার মনে প্রশ্ন জাগে, জাগতেই থাকে।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কোনকিছু না যাচাই করে বিশ্বাস করবেন না, প্রচার করবেন না। তাই আমিও র‌্যাবের কথা যাচাই ছাড়া বিশ্বাস করলাম না। মজনু বেঁচে থাক, বিচার চলুক। তাকে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ রাখা হোক। ভিকটিম বেঁচে থাক, বিচার চলুক। আদালত প্রমাণ করুক- কোনটা কতটা সত্যি। তারপর জনগণ আছে, মিডিয়া আছে, প্রশাসন তো আছেই।

বি:দ্র: আমার লেখাটি কোনভাবেই বলে না, মজনু নিষ্পাপ। আমার লেখাটি বলে না, র‌্যাব চিরদিন মিথ্যে বলে। আমার লেখাটি বলে না, প্রশাসন আজীবন নাটক করে। বরং আমার লেখাটি এটাই বলতে চায়, মজনু এবং ঢাবি শিক্ষার্থী কেসটি আমাকে ভাবায়। আমি চিন্তা করছি, আমি ভাবছি। রাষ্ট্রের স্বার্থে, নাগরিকের স্বার্থে, দেশ ও সমাজের স্বার্থে ভাবার অধিকার/দায়িত্ব আমার আছে, সন্দেহ পোষণ করা, শ্রদ্ধা পোষণ করা, ঘৃণা পোষণ করার অধিকার আমার আছে। প্রশ্ন তোলার অধিকার আমার আছে। ১৮ বছর বয়সে আমি এ অধিকার পেয়েছি।


‌ব্রে‌কিংনিউজ/এএইচএস/এমজি

bnbd-ads
breakingnews.com.bd
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি