সুজনের ক্যাসিনো বিতর্ক থামছেই না!

স্পোর্টস ডেস্ক
১১ আগস্ট ২০১৯, রবিবার
প্রকাশিত: ০৯:২৮ আপডেট: ১১:২১

সুজনের ক্যাসিনো বিতর্ক থামছেই না!

কয়েকবার জাতীয় দলের বর্তমান হেড কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনকে ক্যাসিনোতে দেখা গেছে। দলের ম্যানেজার ও কোচ থাকা অবস্থায় ক্যাসিনোতে কি করছেন সুজন? এমনিতেই বিসিবির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ আটকে রাখায় সুজনকে নিয়ে বিতর্ক আগে থেকেই। ক্যাসিনো কাণ্ড যেন আগুনে ঘি ঢেলেছে। এ নিয়ে বিতর্ক থামছেই না। অনেকে তো আবার সুজনের বিরুদ্ধে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ তুলছেন।  

টাইগারভক্তদের দাবি, সুজনকে বিসিবির কোন পদে রাখার নৈতিক বা যৌক্তিক কোন কারণ নেই। ক্যাসিনো মানেই জুয়া খেলা। ক্রিকেটেও তো জুয়া খেলার ট্রেন্ড চালু আছে। উনিতো ম্যাচও পাতাতে পারেন। এই ধরনের একজন মানুষের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক শেষ করায় ঠিক হবে।  তাকে দ্রুত সরিয়ে দেয়া হোক। 

জাতীয় দলে খেলা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত নানা কারণে সুজন খবরের শিরোনামে আসেন বারবার। হোক সে নেতিবাচক কিংবা ইতিবাচক। স্টিভ রোডসের বিদায়ের পর, আবারো আসেন আলোচনায়। ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দলের সঙ্গে যান শ্রীলঙ্কায়। সেখানে গিয়ে পুরনো অভ্যাসটা আবারো মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। বিসিবির জার্সি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান স্পোর্টজ অ্যান্ড স্পোর্টজের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যান ক্যাসিনোতে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় ভিডিওটি। সব মহলেই সমালোচনার মুখে পড়েন সুজন। শ্রীলঙ্কার দলের ভরাডুবির অন্যতম কারণও যে তার শৃঙ্খলাহীনতা, তাও বলেন অনেকেই।

শুধু এটাই না, সুজনের এক অঙ্গে বহু রূপ। বিসিবি পরিচালক হিসেবে বেশ কয়েকটি কমিটিতে থাকার পাশাপাশি, তিনি আবাহনী ও ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচ। বাংলা ট্র্যাক ক্রিকেট একাডেমিরও হেড কোচ। এক সঙ্গে এত দায়িত্বে থাকা নিয়েও হয়েছে সমালোচনা। কিন্তু নৈতিকভাবে তা কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য না, বলছেন তানভির মাজহার তান্না। তিনি বলেন, একজন মানুষ যদি একটা ক্লাবের কোচ হন, সেই তিনি আবার বিসিবির পরিচালক ম্যানেজার এবং জাতীয় দলের কোচ। এটাতো নৈতিক দুর্নীতি। এটা তিনি করতে পারেন না।

এছাড়া মনোবিজ্ঞানীরাও সুজনের এমন আচরণ থেকে জাতীয় দলকে দূরের রাখার পরামর্শ  দিয়েছেন। তারা বলছেন, জাতীয় দলের দায়িত্ব পালনের সময় কোচ কোনো অনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত হলে তার প্রভাব পড়ে খেলোয়াড়দের উপরও। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক  ড এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, ‘এটা খুবই নৈতিক স্খলন জনিত বিষয়। এটা দলের ওপর প্রভাব ফেলে। আপনি জুয়া খেলছেন মানেই আপনার খেলার প্রতি খেলোয়াড়দের প্রতি মনোযোগ নেই। এটার প্রভাব খেলার ওপর পরবে।’   

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর বোর্ডের সাবেক প্রধান সাবের হোসেন চৌধুরী মন্তব্য করেন দলের ভরাডুবির কারণ অনুসন্ধান করে, জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিৎ সম্পৃক্ত সবাইকেই। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, বিসিবিতে এই জবাবদিহিতা না থাকার কারণেই, জন্ম হচ্ছে নতুন নতুন বিতর্ক।

ব্রেকিংনিউজ/এএফকে

breakingnews.com.bd
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০১৯ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি