৫ দিনের টেস্ট ২ দিনেই শেষ, রেকর্ডের পাতায় ‘লজ্জার ইতিহাস’

স্পোর্টস ডেস্ক
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শুক্রবার
প্রকাশিত: ০৭:৩৬ আপডেট: ১১:৫৭

৫ দিনের টেস্ট ২ দিনেই শেষ, রেকর্ডের পাতায় ‘লজ্জার ইতিহাস’

পাঁচ দিনের টেস্ট ম্যাচটা দ্বিতীয় দিনেই শেষ হয়ে গেল। জাদুটা আসলে কে দেখালো, ভারত-ইংল্যান্ডের বোলাররা? নাকি উইকেট? আহমেদাবাদের দিবারাত্রির গোলাপি বলের টেস্টে বড় রহস্যটা যে উইকেটেই গোপন ছিল, ম্যাচ শেষে সেটা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল ভন। 

অথচ ভারত টেস্টটা জিতে নেয়ার পর স্বাগতিক অধিনায়ক হিসেবে তাকে তেমন কোনও প্রশ্নের মুখেই পড়তে হলো না। এমন শোচনীয় পরাজয়ের পরও পুরস্কার বিতরণী পর্বে অনেকটা অভিযোগহীন দেখা গেল প্রতিপক্ষের কাপ্তান জো রুটকে। স্বাগতিকরা এমন এক উইকেট তৈরি করলো, যেটা ভারত ছাড়া অন্য কোনও দেশ হলে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি হয়তো এতক্ষণে দফারফা করে ফেলতো। ডেমিরেট পয়েন্টের কথা তো বলাই বাহুল্য। তবে কি, এটাকেই বলে ক্রিকেট-জাহানে ভারতের দাদাগিড়ি?  

গতকাল বৃহস্পতিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ভারত-ইংল্যান্ড দিবারাত্রি ম্যাচটি জায়গা করে নিয়েছে লজ্জার এক ইতিহাসের পাতায়। ভারতের ১০ উইকেটে জিতে যাওয়া ম্যাচটিতে ২ দিনে খেলা হয়েছে মাত্র ১২ ঘণ্টা। 

৪ ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ভারত এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। এ হারের কারণে ইংল্যান্ড বাদ পড়ে যায় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল থেকে। সিরিজের চতুর্থ ও শেষ টেস্ট ভারত জিতলে ফাইনালে যাবে। নাহয় লর্ডসে ফাইনালে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড।

প্রায় ৮৫ বছর পর এক টেস্টে সবচেয়ে কম বোলিং করতে হয়েছে বোলারদের। এই টেস্টে দুই দল মিলে খেলেছে ১৪০ ওভার ২ বল। বলের হিসেবে ৮৪২ বল। ১৯৩৫ সালে ব্রিজটাউনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইংল্যান্ড ম্যাচটি হয়েছে ৬৭২ বলে। সবশেষ ২০১৯ সালে ভারত-বাংলাদেশ দিবারাত্রি টেস্ট শেষ হয়েছিল ৯৬৮ বলে।

প্রায় দেড়শো বছরের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে মোট ২২ বার ৫ দিনের টেস্ট ২ দিনেই শেষ হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত খেলা হয়েছে ২ হাজার ৪১২টি টেস্ট। ভারতের ক্ষেত্রে এটি দ্বিতীয়বার, এর আগে ২০১৮ সালে ব্যাঙ্গালুরুতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দু’দিনেই ম্যাচ শেষ করেছিল ভারত।

আহমেদাবাদ টেস্টের চার ইনিংসে দুই দল মিলে মোট রান করেছে ৩৮৭। ভারতে হওয়া টেস্ট ম্যাচগুলোর মধ্যে দুই দল মিলে করা এটা পঞ্চম সর্বনিম্ন স্কোর। সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০১৫ সালে ব্যাঙ্গালুরুতে আরও লো স্কোরিং ম্যাচ হয়েছিল।

ঘরের মাঠে ক্যাম্পেন বিরাট কোহলির এটা ২২তম জয়। এর মাধ্যমে এম এস ধোনিকে পেরিয়ে গেলেন ভারত অধিনায়ক। ধোনি ২১টি জয় পেয়েছিলেন ৩০টি ম্যাচে, আর ২২টি জয় পেতে কোহলির লাগে ২৯ ম্যাচ। এর মাধ্যমে তিনি ধরে ফেললেন স্টিভ ওয়াহকে। ওয়াহ ঘরের মাঠে ২২টি জয় পেয়েছিলেন। সর্বোচ্চ ৫৩ ম্যাচে ৩০ জয় গ্রায়েম স্মিথের দখলে। ৩৯ ম্যাচে ২৯ জয় নিয়ে রিকি পন্টিং আছেন দ্বিতীয় স্থানে।

দীর্ঘ প্রায় ১০৯ বছর পর ইংল্যান্ড কোনও টেস্ট হারলো দ্বিতীয় দিনেই। ১৯১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ন্যাটিংহামে ইংল্যান্ড হেরেছিল দু’দিনেই। ১৮৮০ সালের পর এই প্রথম টানা ৫ বার ২০০ রানের কমে অলআউট হয়েছে ইংলিশরা।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

breakingnews.com.bd
প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি